অর্থ সহ দেখুন রোজার নিয়ত আরবি বাংলা উচ্চারণ

Spread the love

এই পোষ্ট এ আপনি  অর্থ সহ দেখুন রোজার নিয়ত, আরবি-বাংলা উচ্চারণ, রোজার নিয়ত, এবং এর গুরুত্ব সর্ম্পকে জানতে পারবেন. পবিত্র রমজান মাসে রোজা পালনের নির্দেশ দিয়েছেন স্বয়ং আল্লাহ তাআলা। প্রাপ্ত বয়স্ক মুসলমান নারী-পুরুষের জন্য রোজা রাখা ফরজ। রোজা রাখার মাধ্যমে মানুষ আল্লাহর নৈকট্য ও তাকওয়া লাভে ধন্য হয়।

The intention of the rosary, Arabic-Bengali pronunciation, and meaning.  Allah Himself has instructed us to fast in the holy month of Ramadan. Fasting is obligatory for adult Muslim men and women. By fasting, people are blessed with nearness to Allah and taqwa.

অর্থ সহ দেখুন রোজার নিয়ত, আরবি-বাংলা উচ্চারণ

রোজার নিয়ত ও ইফতারের দোয়ার রয়েছে যথেষ্ট গুরুত্ব। সাহরি খাওয়ার পর রোজা নিয়ত করা জরুরি।

Read More: সেহেরি ও ইফতারের সময় সূচি – Sehri and Iftar schedule in 2020

রোজার নিয়ত আরবি :

نَوَيْتُ اَنْ اُصُوْمَ غَدًا مِّنْ شَهْرِ رَمْضَانَ الْمُبَارَكِ فَرْضَا لَكَ يَا اللهُ فَتَقَبَّل مِنِّى اِنَّكَ اَنْتَ السَّمِيْعُ الْعَلِيْم

আরবি নিয়ত উচ্চারণ :

নাওয়াইতু আন আছুম্মা গাদাম মিন শাহরি রমাজানাল মুবারাকি ফারদাল্লাকা, ইয়া আল্লাহু ফাতাকাব্বাল মিন্নি ইন্নিকা আনতাস সামিউল আলিম।

রোজার নিয়ত বাংলা অর্থ :

 হে আল্লাহ! আমি আগামীকাল পবিত্র রমজানের তোমার পক্ষ থেকে নির্ধারিত ফরজ রোজা রাখার ইচ্ছা পোষণ (নিয়্যত) করলাম। অতএব তুমি আমার পক্ষ থেকে (আমার রোযা তথা পানাহার থেকে বিরত থাকাকে) কবুল কর, নিশ্চয়ই তুমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।

রোজার নিয়ত এর গুরুত্ব :

রোজা শুদ্ধ হওয়ার জন্য নিয়ত আবশ্যক। নিয়ত ছাড়া কোনো আমলই গ্রহণযোগ্য নয়। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘নিশ্চয় সমস্ত আমল নিয়তের ওপরই নির্ভরশীল, আর প্রতিটি ব্যক্তিই যা নিয়ত করে তাই সে পায়।’ (বুখারি : হাদিস ১)।

নিয়ত ছাড়া সারাদিন না খেয়ে থাকলেও রোজা আদায় হবে না। অবশ্য মুখে উচ্চারণ করে নিয়ত করা জরুরি নয়। বরং অন্তরে রোজার সংকল্প করাই যথেষ্ট। এমনকি রোজার উদ্দেশে সাহরি খেলেই রোজার নিয়ত হয়ে যায়। (আদ দুররুল মুখতার : ৩/৩৪১)

Read More: সেহেরি ও ইফতারের সময় সূচি – Sehri and Iftar schedule in 2020

নিয়ত কখন করবেন : রমজানের রোজা, নির্দিষ্ট মানতের রোজা ও নফল রোজার নিয়ত রাতেই করে নেওয়া উত্তম। তবে ভুলে গেলে সূর্য পশ্চিমকাশে হেলে যাওয়ার (দুপুরের) এক-দেড় ঘণ্টা পূর্ব পর্যন্ত যেকোনো সময় তা করে নিতে পারবেন। শর্ত হলো, এ সময়ের মধ্যে কিছু না খেয়ে থাকতে হবে এবং রোজা ভাঙার অন্যান্য কোনো কারণও না থাকতে হবে। (আহসানুল ফাতাওয়া : ৪/৪৩৭; আদদুররুল মুখতার : ৩/৩৩৮)

হজরত সালমা ইবনে আকওয়া (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করীম (সা.) এক ব্যক্তিকে আশুরার দিন লোকদের মাঝে এ ঘোষণা করার জন্য পাঠান যে, যে ব্যক্তি খেয়েছে, সে যেন রোজা পূর্ণ করে। আর যে খায়নি, সে যেন না খায়। (বুখারি : ২/৬৭৯)। এই হাদিসে যে ব্যক্তি দুপুর পর্যন্ত খায়নি তাকে নিয়ত করে রোজা রাখার হুকুম দেওয়া হয়েছে।

যা দ্বারা বোঝা যায় যে দুপুরের পূর্বে রোজার নিয়ত করা যায়। হাদিসের এই হুকুম সুন্নত রোজার ক্ষেত্রে। কিন্তু নির্দিষ্ট দিনের রোজাকেও এর ওপর কিয়াস করা হবে। তবে অন্যান্য রোজা যথা কাযা রোজা, অনির্দিষ্ট মানতের রোজা ও কাফফারার রোজার নিয়ত রাত থেকেই করতে হবে। অন্যথায় রোজা শুদ্ধ হবে না।

আরবি ভাষায় রোজার নিয়ত : যেকোনো ভাষায় রোজার নিয়ত করা যায়। তবে আরবি ভাষায় করতে পারলে ভালো। আরবিতে রমজানের রোজার নিয়ত হলো ‘নাওয়াইতু আন আছুমা গাদাম মিন শাহরি রামাদানাল মুবারাকি ফারদাল্লাকা ইয়া আল্লাহু ফাতাক্কাব্বাল মিন্নি ইন্নাকা আনতাস সামীউল আলীম।’

অর্থ: (হে আল্লাহ!) আপনার সন্তুষ্টির জন্য আগামীকাল রমজানের ফরজ রোজা রাখার নিয়ত করছি। আমার তরফ থেকে আপনি তা কবুল করুন। নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাত।

Read More: সেহেরি ও ইফতারের সময় সূচি – Sehri and Iftar schedule in 2020

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *